বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

করোনার ভ্যাকসিন তৈরিতে সফল রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

সব ধাপ পেরিয়ে এবার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালেও শেষ করেছে রাশিয়ার সেচেনাভ ফার্স্ট মস্কো স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটির তৈরি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) ভ্যাকসিন। ট্রায়াল শেষে গবেষকরা জানিয়েছেন, এই ভাইরাসটি মানবদেহের জন্যও সম্পূর্ণ নিরাপদ।

এর ফলে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন হিসেবে বাজারে আসার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে গেলে এই ভ্যাকসিন। সেক্ষেত্রে এটিই বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক ভ্যাকসিন হিসেবে বাজারে আসতে পারে। যদিও এই ভ্যাকসিনের বাণিজ্যিক উৎপাদন কবে নাগাদ শুরু হবে, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি ভ্যাকসিন উৎপাদনকারীদের পক্ষ থেকে।

রোববার (১২ জুলাই) রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা তাস ও স্পুটনিক এ খবর দিয়েছে। গবেষকদের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, দুই ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালই শেষ করেছে সেচেনাভ ইউনিভার্সিটি। তবে যেসব স্বেচ্ছাসেবকের ওপর এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছে, তারা এখনো ছাড়া পাননি। ছাড়া পেলেও তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

সেচেনাভ ফার্স্ট মস্কো স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটির এই ভ্যাকসিন গবেষক দলের প্রধান ও বিশ্ববিদ্যালয়টির সেন্টার ফর ক্লিনিক্যাল রিসার্চ অন মেডিকেশনের প্রধান ইলিনা স্মলিয়ারচুক সংবাদ সংস্থা তাস’কে বলেন, ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণা শেষ হয়েছে এবং এটি নিরাপদ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবীদের একটি দলকে ১৫ জুলাই ও আরেকটি দলকে ২০ জুলাই ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

স্বেচ্ছাসেবীদের প্রথম দলটিতে আছেন ১৮ জন। গত ১৮ জুন তাদের শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছিল। অন্যদিকে ২০ জনের দ্বিতীয় স্বেচ্ছাসেবী দলের সদস্যদের শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয় গত ২৩ জুন।

এদিকে, সেচেনাভ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ট্রান্সলেশনাল মেডিসিন অ্যান্ড বায়োটেকনোলজির পরিচালক ভাদিম তারাসভ সংবাদ সংস্থা স্পুটনিককে বলেন, করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের প্রথম সফল ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সফলভাবে শেষ করেছে সেচেনাভ বিশ্ববিদ্যালয়।

সেচেনাভ ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল প্যারাসাইটোলজি, ট্রপিক্যাল ও ভেকটর-বর্ন ডিজিজেসের পরিচালক আলেক্সান্দার লুকাশেভ বলেন, ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণার এই ধাপটির লক্ষ্য ছিল এটি মানবশরীরে নিরাপদ কি না— সেটি জানা। আর সে উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। ভ্যাকসিনটি নিরাপদ— সেটি নিশ্চিত হওয়া গেছে। বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের জন্য যেসব ভ্যাকসিন রয়েছে, করোনার এই ভ্যাকসিনটির নিরাপত্তা সেগুলোর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

লুকাশেভ জানান, এরই মধ্যে বর্তমান মহামারি পরিস্থিতি বিবেচনা করে কিভাবে ভ্যাকসিনটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাওয়া যায়, তা নিয়ে কাজ শুরু হয়ে গেছে। তবে কবে নাগাদ এটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে কিংবা কবে নাগাদ এটি বাজারে আসবে— সে বিষয়ে তিনি বা অন্য কেউই কিছু জানননি।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION